x 
Empty Product
Sunday, 17 May 2020 01:03

এবছর রাজশাহীর আমের বাজারজাত ও দাম নিয়ে দুশ্চিন্তায় চাষিরা

Written by 
Rate this item
(0 votes)

করোনার কারণে গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকায় আম বাজারজাত করা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন দিনাজপুরের নবাবগঞ্জের আম চাষিরা। গাড়ি বন্ধ ও লকডাউন থাকায় পাইকারও আসতে না পারছেন না। আবার দু-একজন যা-ও আসছেন তাতে দাম মিলছে না। ফলে আমের বাগান বিক্রি করতে না পারায় উৎপাদন খরচ ওঠানো নিয়ে সংশয়ে পড়েছেন চাষিরা। এছাড়া চলতি মৌসুমে বৈরী আবহাওয়ার কারণে আমের ফলন খানিকটা কম হয়েছে। সব মিলিয়ে অনেক চাষি হতাশ হয়ে আমের পরিচর্যাই ছেড়ে দিয়েছেন।

 

 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের পরেই এ অঞ্চলে নবাবগঞ্জে সবচেয়ে বেশি আম উৎপাদন হয়। হিমসাগর, ল্যাংড়া, হাড়িভাঙ্গা, আম্র্রপালি, আশ্বিনাসহ বিভিন্ন জাতের আম চাষাবাদ হয় এখানে। স্বাদ ও চাহিদা ভালো হওয়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় আম সরবরাহ করা হয়ে থাকে।

নবাবগঞ্জ আম চাষি সমিতির সাবেক সভাপতি জিল্লুর রহমান ও আমি চাষি শফিকুল ইসলামসহ কয়েকজন বলেন, আমাদের এই অঞ্চলে যেসব আম উৎপাদন হয় তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি হয় হিমসাগর জাতের আম। এটা খেতে সুস্বাদু হওয়ায় বেশ চাহিদা রয়েছে। এছাড়াও মানুষকে নিরাপদ আম খাওয়ানোর ও বিদেশে রফতানির জন্য এখানে ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতিতে আম চাষাবাদ করা হয়। এবারে করোনাভাইরাসের কারণে এখন পর্যন্ত তেমন কোনও পাইকার না আসায় আমের বাগানগুলো অবিক্রিত রয়ে গেছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে আমের ফলনও কিছুটা কম হয়েছে। তবে যেটুকু আম হয়েছে তাও বাজারজাত করা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছি। এছাড়াও চেষ্টা করেও বিদেশে আম রফতানি করা যাচ্ছে না। এ কারণে অনেক আম চাষি হতাশ হয়ে আমের পরিচর্যাই ছেড়ে দিয়েছেন। যে দু-একজন পাইকার বাগান কিনতে আসছেন তারাও বাজারজাত করা নিয়ে দুশ্চিন্তার কারণে বাগান না কিনে ঘুরে  চলে যাচ্ছেন।

আম বাগান কিনেছিলেন শেরেগুল ইসলাম ও মজিবর রহমান। তারা বলেন, বেশ কিছু আম বাগান কিনেছি। কিন্তু করোনার কারণে আমের বাজার কী হবে, বাজারজাত করতে পারবো কিনা এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। আমি আম বাগান নিয়েছি। কিন্তু লকডাউনের কারণে যেতে দিচ্ছে না পুলিশ। বাগানে ওষুধ ছিটাতেও যেতে পারছি না। কোনোরকমে আমরা আমবাগানের পরিচর্যা করছি। তবে সামনের দিনে আমের কী হবে সেটা নিয়ে বেশ দুশ্চিন্তায় পড়েছি। প্রশাসন আম বাজারজাতকরণে একটু ছাড় দিলে আমরা একটু উপকৃত হবো। ভালো দাম পাবো বলে আশা করছি।

নবাবগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, উপজেলায় চলতি মৌসুমে ৮০৫ হেক্টর জমিতে আমের বাগান রয়েছে। যা থেকে এবারে ২৪ হাজার ১৫০ টন আম উৎপাদন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এখন পর্যন্ত আমের অবস্থা ভালো রয়েছে। যদি কোনও প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হয় তাহলে আশা করি ভালো ফলন পাওয়া যাবে। এখন পর্যন্ত গাছে যে আম আছে তাতে করে আশা করছি বাম্পার ফলন হবে। করোনা পরিস্থিতি একটু ভালো হলে চাষিরা তাদের উৎপাদিত আম বাজারজাত করতে পারবে ও ভালো দাম পাবে। বিদেশে আম রফতানির ব্যাপারে গতবছর ওয়ালমার্টের সঙ্গে আলোচনা করে কিছু পাঠানো সম্ভব হয়েছিল। এবারে করোনা পরিস্থিতির কারণে প্রথমদিকে তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু এই অবস্থার কারণে এখন পর্যন্ত তাদের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করতে পারি নাই।

এই নিউজটির মুল লিখা আমাদের না। আমচাষী ভাইদের সুবিধার্তে এটি কপি করে আমাদের এখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই নিউজটির সকল ক্রেডিট: https://www.banglatribune.com

Read 169 times

Leave a comment

Make sure you enter the (*) required information where indicated. HTML code is not allowed.