x 
Empty Product

রাংগোয়াই

User Rating:  / 0
PoorBest 

বাংলাদেশের পার্বত্য এলাকায় আমটির চাষ হয়ে থাকে। বীজ বহুভ্রুণী অর্থাৎ একটি আঁটি থেকে অনেকগুলো চারা হয়।

বাংলাদেশের পার্বত্য এলাকায় আমটির চাষ হয়ে থাকে। বীজ বহুভ্রুণী অর্থাৎ একটি আঁটি থেকে অনেকগুলো চারা হয়।

ফলেক আকার বড় এবং লম্বাটে ধরণের। আমটি রসাল, সুস্বাদু এবং মিষ্টি। কোনো আঁশ নেই। বাজারে বেশ চাহিদা রয়েছে। ভাবিষ্যতে বাণিজ্যক সফলতা আসবে।

 

তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে বান্দরবান জেলাতেই বুকসেলাই (রাংগোয়াই) জাতের আমের চাষ সবচেয়ে বেশি। আমের এই জাতটি জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি-থানছি সীমান্ত হয়ে প্রতিবেশী রাষ্ট্র মায়ানমার থেকে এদেশে প্রবেশ করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রায় ১৫/২০ বছর আগে পাহাড়ীরা এই আম মায়ানমারের পাহাড়ী অঞ্চল থেকে পার্বত্য জেলা বান্দরবান নিয়ে আসে বলে স্থানীয়রা জানান। তবে কৃষি বিভাগের কাছেও বুকসেলাই (রাংগোয়াই) আম চাষ কখন থেকে শুরু হয়েছে সেটির সঠিক কোনো পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় জাতগুলোর তুলনায় বুকসেলাই জাতের আমের পোকার আক্রমন অনেক কম। যার কারণে স্থানীয় পাহাড়ী আম চাষীরা আমটি চাষ করে বাজারে বিক্রি করে লাভবান হতে পারছেন। মায়ানমারের আমের এই জাতটি বান্দরবানসহ তিন পার্বত্য জেলায় স্থাণীয়ভাবে বর্মি নাম অক্ষুন্ন রেখে রাংগোয়াইসি বললেও চট্টগ্রামসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলগুলোতে ভোক্তাদের কাছে এটি বার্মিজ এবং বুকসেলাই রাংগোয়াই আম নামে পরিচিত।

মায়ানমারের বার্মি ভাষায় রাংগোয়াই অর্থ বুকে শিরধারার মতো সেলাই আর ‘সি’ অর্থ ফল, অর্থাৎ রাংগোয়াইসি মানে ‘বুকসেলাই ফল’। সম্ভবত ফলের গড়নের সঙ্গে সাদৃশ্যের কারণেই এমন নামকরণ। খেতে খুবই সুস্বাদু, পোকার আক্রমন কম এবং স্বল্প সময়ে অধিক লাভজনক হওয়ায় এই আমের চাষ বান্দরবানসহ তিন পার্বত্য জেলায় দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে।

চলতি মৌসুমে (২০১৩) বান্দরবান জেলায় তিন হাজার ছয়শ হেক্টর পাহাড়ী জমিতে আমের চাষ হয়েছে। তার মধ্যে বুকসেলাই আমের চাষ হয়েছে সবচেয়ে বেশি। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রায় সাড়ে তিন হাজার মেট্টিক টন। খুচরা ব্যবসায়ীরা প্রতি কেজি ৬০/৭০ টাকায় ক্রয় করে বাজারে ১০০/১২০ টাকায় বিক্রি করছেন।

Leave your comments

0
terms and condition.
  • No comments found